বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
কণ্ঠশিল্পী ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী একক গান ও প্লেব্যাক নিয়ে ব্যস্ত। সাম্প্রতিক কাজ ও নানা প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি কথা বললেন সঙ্গে। এ সময়ে চ্যানেলগুলোর শো করছি। সব কাজই যে বাইরে করছি তা নয়। ঘরে বসেই ভয়েস দেওয়ার কাজ করছি। তিনটা নতুন গানের রেকর্ডিং করলাম। পারতপক্ষে বাসায় থাকার চেষ্টা করি। কিছু কাজ আছে বাইরে না বেরোলেই হয় না তেমন কিছু কাজ করি।
নতুন গান…
বেশ কিছু সিঙ্গেলের কাজ করেছি। সেগুলো শিগগিরই রিলিজ পাবে। দিনক্ষণ সময়মতো জানিয়ে দেব। আর সর্বশেষ একটা সিনেমার প্লেব্যাক করেছি। এটি হচ্ছে ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত মুক্তি সিনেমার টাইটেল সং। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এর আগে আমি ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া, নোয়াখাইল্যা মাইয়া’ সিনেমায় গান করেছিলাম। সেখানে গান লিখেছিলেন সুদীপ কুমার দীপ, সুর-সংগীত করেছিলেন শাহরিয়ার রাফাত। এ গানেও আমরা তিনজন থাকছি। শুধু তাই নয়, এ সিনেমা নির্মিত হবে নোয়াখালী এলাকার গল্পে। আমি টাইটেল গান গেয়েছি। আমি নোয়াখালীর মেয়ে। এ সিনেমার যে নায়িকা থাকছেন তিনিও নোয়াখালীর।
ঘরবন্দি সময়ে…
করোনার সময়ে ঘরবন্দি থেকেছি। কিন্তু সে সময়েও কাজ থেমে ছিল না। ঘরে বসেই গানে ভয়েস দিয়েছি। বলতে পারেন করোনায় সব থেমে গেলেও আমার কাজ থামেনি।
পড়াশোনা…
গানের পাশাপাশি পড়াশোনাও চলছে। আমি তো এমবিবিএসের স্টুডেন্ট। ফলে ক্লিনিক্যাল বিষয়গুলো তে সরাসরি ক্লাসে না গেলে হয় না। কিছুটা তো বিড়ম্বনা হচ্ছেই। অন্যদিকে এবার আমার এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেটা হচ্ছে না। পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে।
গান ও পড়াশোনা দুটো একসঙ্গে সামলানো একটু কঠিন। তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে করোনার সময়ে পুরোপুরি বাসায় থাকার কারণে অফুরন্ত সময় পেয়েছি। এ সময়ে কোনো সমস্যা হয়নি।
গানের নতুন প্ল্যাটফরম…
প্রত্যেকেই যার যার মতো করে গান করছে। কেউ ভালো করছে কেউ মন্দ করছে। তবে অ্যাভারেজে বললে গানের মান ঠিকঠাকই আছে। প্রত্যেকেই যখন তার বেস্টটা দেয় তখন প্রচুর ভালো ভালো গান তৈরি হয়। আর এখন তো নতুন নতুন অনেক প্ল্যাটফরম এসেছে। ইউটিউব, নানা ধরনের মিউজিক অ্যাপসসহ নানা কিছু। যদিও নতুন মাধ্যমগুলো ম্যাস পিপলের কাছে চলে যায়নি কিন্তু একটা সময় এ মাধ্যমগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা…
গান করছি, ভবিষ্যতেও গান চালিয়ে যাব। আর আমি যেহেতু ডাক্তারি পড়ছি ডাক্তারি করার ইচ্ছে তো আছেই। তবে এ দুটোর বাইরে আর কোনো পরিকল্পনা নেই। ইচ্ছে আছে স্বাধীনভাবেই ডাক্তারি করার। বাকিটা নির্ভর করছে ওই প্রফেশনে যাওয়ার পর। ওই জায়গাটা কেমন তার ওপর নির্ভর করবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত।
ভয়েস/আআ